বাংলাদেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত নোকিয়া

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার এবং বাংলাদেশের ইউনিয়ন গ্রুপের জয়েন্ট ভেঞ্চার ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন থেকে এ বছরের মার্চে স্থানীয় পর্যায়ে নোকিয়া ফোন উৎপাদনের অস্থায়ী লাইসেন্স পেয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার এবং বাংলাদেশের ইউনিয়ন গ্রুপের জয়েন্ট ভেঞ্চার ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন থেকে এ বছরের মার্চে স্থানীয় পর্যায়ে নোকিয়া ফোন উৎপাদনের অস্থায়ী লাইসেন্স পেয়েছে।
এই মুহূর্তে এই যৌথ উদ্যোগটি জাতীয় রাজস্ব বিভাগের (এনআরবি) ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই তারা উৎপাদন শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম আমদানির জন্য এলসি খুলবে বলে ‘দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-কে জানান শিল্প সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে কারখানা নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তারা ৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়। তারা জানান, ঈদুল ফিতরের আগেই উৎপাদন আরম্ভের কথা থাকলেও, কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিটি তাদের পরিকল্পনা বদলেছে।
তবে শর্তানুযায়ী , বিটিআরসি’র অনুমতি ব্যতীত, মোবাইল ফোন উৎপাদন ও টেস্টিং ল্যাবরেটরির সঙ্গে সম্পর্কিত রেডিও যোগাযোগ যন্ত্রপাতির আমদানি ও রপ্তানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
দেশীয় উৎপাদন শিল্প:
দেশীয় মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদন শিল্প তার যাত্রা শুরু করে ২০১৭ সালে। সে সময় ওয়ালটন বাংলাদেশে তাদের ইলেকট্রনিক পন্য উৎপাদন শুরু করে। এরপর থেকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন সরবরাহকারী কোম্পানি স্যামসাং, সিম্ফোনি, অপ্পো, রিয়েলমিসহ সর্বমোট ১০টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। দেশীয় বাজারের ৮৫ শতাংশ এসব ব্র্যান্ড উতপাদন করে থাকে এবং স্মার্টফোন ও ফিচার ফোনের দেশীয় চাহিদার ৫৫ শতাংশ পূরণ করতে পারে।
বিটিআরসি’র সূত্র অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে হ্যান্ডসেট উৎপাদন ও আমদানিকারকের সংখ্যা ছিলো ২৯ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন ইউনিট। এর মধ্য থেকে ১৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন ইউনিট দেশীয়ভাবে তৈরি এবং আমদানি করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ইউনিট।
তথ্যসূত্রঃ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড